আজ: ২১ এপ্রিল, ২০১৮ ইং, শনিবার, ৮ বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ৬ শাবান, ১৪৩৯ হিজরী, বিকাল ৫:১০
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয়, প্রধান সংবাদ আমরা চাই মানুষ মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করবে: প্রধানমন্ত্রী

আমরা চাই মানুষ মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করবে: প্রধানমন্ত্রী


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ১০/১৪/২০১৭ , ১২:১৬ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জাতীয়,প্রধান সংবাদ


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, `আগামীতে নির্বাচন হবে, সুষ্ঠু নির্বাচন যাতে হয় আলোচনা করে তার একটা পথ বের করব। আমরা চাই মানুষ মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করবে। যার যার প্রতিনিধি সে সে বেছে নেবে।’

শনিবার সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপিকে আনতে আমি সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফোন করেছি, নিজে যেচে ফোন করি। ধরার পরে যে ঝাড়িটাড়ি মারল, তা বলতে চাই না। তারপরও আমরা চেষ্টা করেছি। আমি বলেছিলাম সর্বদলীয় সরকার করব, আপনি (খালেদা জিয়া) যে মন্ত্রণালয় চান তা দিতে রাজি আছি। কিন্তু নির্বাচনে এলো না। নির্বাচনে না এসে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা শুরু করল। তবে জনগণ তাদের রুখে দিল আর এজন্য নির্বাচনটা হলো, আমরা আবার ক্ষমতায় এলাম।’

সাম্প্রতিক সময়ে বিচার বিভাগের চলমান ঘটনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রধান বিচারপতিদের নিয়ে এ ধরনের খেলা অতীতে বারবার হয়েছে। এমনও হয়েছে প্রধান বিচারপতির এজলাসে তাকে পত্রপাঠ বিদায় জানানো হয়েছে, অথচ তিনি জানেনই না। হুটহাট করে বিচারপতিদের বিদায় জানানো হয়। সাবেক রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দীন আহমেদও প্রধান বিচারপতিকে বঙ্গভবনে চা খাওয়ার দাওয়াতে ডেকে পদত্যাগ করতে বলেছেন।’

বিএনপির শাসনামলের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেখলাম চিফ জাস্টিসের বয়স ৬৫ থেকে ৬৭ বাড়িয়ে দেওয়া হলো। যিনি কেবলমাত্র অবসরপ্রাপ্ত হয়েছেন, তিনি উপদেষ্টা হবেন তাই আন্তর্জাতিক সম্পাদক কে এম হাসানকে উপদেষ্টা বানালো এবং চক্রান্ত করল যাতে তিনি প্রধান উপদেষ্টা হয়ে ভোট চুরির সুযোগ করে দেয়। আমরা মহাজোট করি। ভুয়া ভোটার আইডি তৈরি করল, আমরা আন্দোলন করি। এসব কারণে আবার ইমারজেন্সি ঘোষণা করা হয়। এরপর দ্রুত ইলেকশন হবে ভেবেছিল, কিন্তু তখন ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করার চেষ্টা করা হয়।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘১৯৯৬ সালে যত নিয়োগ দিয়েছিলাম একই দিনে পত্রপাঠ বিদায় করা হয়। প্রশাসনে একই অবস্থা। কোনো নিয়ন্ত্রণ বা ডিসিপ্লিন কিছু ছিল না। জাতীয় সংসদে ভোট কারচুপির মধ্য দিয়ে নিজের মনমতো লোক বসিয়ে দেওয়া হয়। স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীদের মন্ত্রী করে সংসদে বসানো হয়। কর্নেল রশিদ হুদাকেও বসানো হয়। আমাদের লাখো শহীদের অর্জনের পতাকা তুলে দেওয়া হয় তাদের হাতে।’

Comments

comments

Close