আজ: ১১ ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং, মঙ্গলবার, ২৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ৫ রবিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী, সন্ধ্যা ৬:০৪
সর্বশেষ সংবাদ
জেলা সংবাদ গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে সড়কের উপর সাঁকো ১০ গ্রামের মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে সড়কের উপর সাঁকো ১০ গ্রামের মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ১১/০১/২০১৭ , ৫:৩২ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: জেলা সংবাদ


Spread the love
Spread the love

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড়-সিন্দিয়া কাঁচা সড়কের একটি অংশে সাঁকো দিয়ে চলাচলকারী ১০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারন করেছে। বৃষ্টিতে কাঁচা এ সড়কটিতে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত আর খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এখন সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক জায়গার মাটি সরে গেছে। বৃষ্টি হলেই সড়কটির জলির পাড়ের কিছু অংশ পানিতে ডুবে যায়। ফলে এলাকাবাসী সড়কের উপর বাশেঁর সাঁকো তৈরী করে চলাচল করে। চলাচলের অনুপযোগী এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারীরা হাঁটতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে পড়ছেন। এ সড়ক দিয়ে পণ্য পরিবহন করে হাট বাজারে নিতে ও ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াতের সময় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়তে হয়।
মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়ন ও রাজৈর উপজেলার খালিয়া ইউনিয়নের জলাভূমি বেষ্টিত পশ্চাদপদ আবাদিবাড়ী, গজাড়িয়া, উল্লাবাড়ী, সিন্দিয়া, খালিয়া, জলিরপাড়, দক্ষিন জলিরপাড়, শান্তিপুর, হঠাৎ গ্রাম, পূর্বপাড়া গ্রামের মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ৩০ বছর আগে এ মাটির কাঁচা সড়ক নির্মাণ করা হয়।
দক্ষিন জলিরপাড় গ্রামের নিতিশ তালুকদার বলেন, প্রায় ত্রিশ বছর আগে এ সড়কটি নির্মাণ করা হয়। তারপর আর কোন সংস্কার করা হয়নি। এ কারণে সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ সড়কে ১০ গ্রামের অন্তত ৫ হাজার মানুষ চলাচল করে। চলাচল করতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
শিক্ষার্থী সাবিনা আক্তার বলেন, কলেজে এ সড়ক দিয়ে যাতায়াতে বৃষ্টির দিনে সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয়। বৃষ্টিতে সড়কে কাঁদা হয়ে যায়। এছাড়া ছোট বড় গর্তের এ সড়কে চলাই বিপদ।
জলিরপাড় গ্রামের মোঃ হানিফ শেখ বলেন, এ সড়কে চলতে গিয়ে আমাদের দুর্ভোগের শেষ নেই। বর্ষাকালে সড়কটির একটি স্থান পানির নীচে চলে যায়। তখন যাতায়াত করতে সড়কের ওপরে বাসের সাঁকো তৈরী করা হয়। এ সাঁকো দিয়ে মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত ও উৎপাদিত কৃষি পন্য পরিবহনে করে নিতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। প্রায় ৩০ বছর ধরে আমাদের এ ভোগান্তি চলছে। সড়কটি পাঁকা করলে আমাদের ভোগান্তির অবসান ঘটবে। দ্রুত সড়কটি পাঁকা করার জন্য দাবি জানাচ্ছি।
জলিরপাড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অখিল চন্দ্র বৈরাগী ওই সড়কের দুর্দশার কথা স্বীকার করে বলেন, আমরা এ সড়কের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করে জেলা পরিষদে অনেক আগেই পাঠিয়েছি। ইতিমধ্যে এ প্রকল্প পাশ হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে এ সড়কে ইট বিছানোর কাজ করা হবে। অচিরেই এ সড়কের এ কাজ শুরু করা হবে।

Share

Comments

comments

Close