আজ: ১১ ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং, মঙ্গলবার, ২৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ৫ রবিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী, বিকাল ৫:৩৭
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয়, প্রধান সংবাদ বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর লাভ-লোকসান সরকার দেখবে: প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর লাভ-লোকসান সরকার দেখবে: প্রতিমন্ত্রী


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ১১/২৫/২০১৭ , ৪:১২ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জাতীয়,প্রধান সংবাদ


Spread the love
Spread the love

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, বিদ্যুৎ বিভাগের কাজ নাগরিকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা প্রদান করা। এ সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধান করা। কোম্পানিগুলো লাভজনক না লোকসানি সে বিবেচনা করার প্রয়োজন নেই। এ বিষয় সরকার দেখবে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সততার সঙ্গে গ্রাহকদের সেবা করতে হবে।
শনিবার রাজধানীতে বিদ্যুৎ ভবনে ‘সেক্টর লিডারস ওয়ার্কশপ ২০১৭’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় দুই দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। কর্মশালায় ৪টি কারিগরি সেশনে ৮টি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। ২৫টি মন্ত্রণালয় হতে ২০০ কর্মকর্তা এতে অংশগ্রহণ করে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানবসম্পদের উন্নয়ন আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। নবীন ও মধ্য পর্যায়ের প্রকৌশলীদের হাতে-কলমে আরও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় হতেই শুরু করা গেলে আরও ভালো হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ে আমরা সচেতন। বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে আমাদের কিছু করার না থাকলেও খাপ খাইয়ে নিতে কাজ হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বলা হয়, বিদ্যুৎ খাতে দিন দিন বিনিয়োগের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন, বিতরণ ও সঞ্চালনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ২০১৭ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০২২-২০৩১ সালের মধ্যে আরও ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০৩২-২০৪১ সালের মধ্যে আরও অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এ খাতে বিনিয়োগ প্রয়োজন।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নাজিমউদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম এমপি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মূখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ এবং বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।
Share

Comments

comments

Close