আজ: ১২ ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং, মঙ্গলবার, ২৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৪ রবিউল-আউয়াল, ১৪৩৯ হিজরী, রাত ৪:৩২
সর্বশেষ সংবাদ
প্রধান সংবাদ, বাংলাদেশ, রাজনীতি দুর্নীতির ২ মামলায় জামিন পেলেন খালেদা

দুর্নীতির ২ মামলায় জামিন পেলেন খালেদা


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ১২/০৫/২০১৭ , ২:২৬ অপরাহ্ণ | বিভাগ: প্রধান সংবাদ,বাংলাদেশ,রাজনীতি


জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি এ দুই মামলায় বিএনপি চেযারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। এই মামলা দুটিতে খালেদার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর আদালতে আজ মঙ্গলবার আত্মপক্ষসমর্থন করে জামিন চান বিএনপি নেত্রী।

এর আগে মঙ্গলবার বেলা ১১ টার পরে বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে খালেদা জিয়া উপস্থিত হন। এসময় আইনজীবীর মাধ্যমে তিনি দুই মামলায় আত্মসমর্পন করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে তার জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন।

খালেদা জিয়া আদালতে হাজির হওয়ার আগেই তার আইনজীবীরা আদালতে তিনটি আবেদন করেন। আবেদনগুলো হলো- জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় যুক্তি উপস্থাপন উত্তোলনপূর্বক আত্মপক্ষ সমর্থনের আবেদন এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার সাফাই সাক্ষী থেকে উত্তোলনপূর্বক আত্মপক্ষ সমর্থনের আবেদন।

এর আগে গত ৩০ নভেম্বর আদালতে হাজির না হওয়ায় দুই মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

মঙ্গলবার বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় যুক্তি উপস্থাপন এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার সাফাই সাক্ষীর দিন ধার্য ছিল।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী (পলাতক), হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর সাবেক নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

এছাড়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় অপর একটি মামলা করে দুদক।

২০১০ সালের ৫ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন- মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান ।

Comments

comments

Close