আজ: ১১ ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং, মঙ্গলবার, ২৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ৫ রবিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী, বিকাল ৫:৪৭
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয়, প্রধান সংবাদ আইন করে বিএনপিকে নির্বাচনে আনার প্রশ্নই ওঠে না: আইনমন্ত্রী

আইন করে বিএনপিকে নির্বাচনে আনার প্রশ্নই ওঠে না: আইনমন্ত্রী


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ১২/০৯/২০১৭ , ১১:২১ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জাতীয়,প্রধান সংবাদ


Spread the love
Spread the love

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সংবিধানের কোনো পরিবর্তন ছাড়াই নির্বাচন হবে। বিএনপি যদি নির্বাচনে আসতে চায়, তাহলে বাংলাদেশের সংবিধান ও আইন মেনে নির্বাচনে আসতে হবে। নতুন আইন করে তাদেরকে নির্বাচনে আনার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির কাউন্সিলে শনিবার প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আইনমন্ত্রী বলেন, পরিষ্কারভাবে একটি কথা বলতে চাই, ১৯৭২ সালে ৪ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু গণপরিষদে দাঁড়িয়ে আমাদের যে সংবিধান দিয়ে গেছেন, সেই সংবিধানের কোনো পরিবর্তন ছাড়াই নির্বাচন হবে। নির্বাচন করবে নির্বাচন কমিশন। আর সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা দায়িত্বে থাকবেন। এর কোনো ব্যত্যয় ঘটবে না। তার কারণ হচ্ছে, আমাদের সংবিধান এটাই বলছে। সংবিধান মাফিক কাজ হবে। সংবিধান নিয়ে যারা ফুটবল খেলেছিল, যারা বাংলাদেশকে পাকিস্তান করার চেষ্টা করেছিল, তাদের কোনো কথা, কোনো দাবি আর মানা হবে না।
তিনি বলেন, ২০০৯ সালের পর থেকে বাংলাদেশ উন্নতির দিকে উঠছে। এই উন্নতি সম্ভব হচ্ছে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের জন্য। প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী তার দক্ষতা, মেধা দিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে একটি মর্যদার আসনে নিয়ে গেছেন।
দলিল লেখকদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ৬৫ বছর বয়সের শেকল দিয়ে আপনাদের বাঁধা হয়েছিল। আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা দিচ্ছি, আজকে থেকে সেই ৬৫ বছরের শেকল থাকবে না। সেই জন্য রবিবার পরিপত্র জারি করা হবে। প্রত্যেক সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এই পত্র যাবে।
দলিল লেখক সমিতির সভাপতি নুরুল আলম ভূঁইয়া বলেন, কোনো পেশাজীবীর বয়সসীমা সরকার নির্ধারণ করে দিতে পারে না। সাংবাদিক, আইনজীবী, চিকিৎসকের কোনো বয়সসীমা নির্ধারণ করা নেই। তাহলে দলিল লেখকদের ৬৫ বছর বয়সসীমা নির্ধারণ করে দেওয়া থাকবে কেন? অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম হিরু, আকম বাহাউদ্দীন বাহার এমপি, নজরুল ইসলাম বাবু এমপি, নিবন্ধন পরিদপ্তরের মহাপরিচালক খান মো. আব্দুল মান্নান প্রমুখ।
Share

Comments

comments

Close