আজ: ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, শনিবার, ১২ ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ৮ জমাদিউস-সানি, ১৪৩৯ হিজরী, রাত ১২:৩১
সর্বশেষ সংবাদ
খেলাধূলা আমাদের ভেতরে জয়ের ক্ষুধাটা ছিল : মাশরাফি

আমাদের ভেতরে জয়ের ক্ষুধাটা ছিল : মাশরাফি


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ১২/১৩/২০১৭ , ৩:০৩ অপরাহ্ণ | বিভাগ: খেলাধূলা


আমাদের ভেতরে জয়ের ক্ষুধাটা ছিল : মাশরাফি
বিপিএলের পাঁচ আসরের চার শিরোপা জিতেছেন মাশরাফি মুর্তজা। প্রথম দুই মৌসুমে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স এবং ২০১৫ সালে তৃতীয় আসরে কুমিল্লাকে শিরোপা এনে দেন মাশরাফি। তবে এবারের পরিবেশটা ভিন্ন ছিল। ভালো মানের দল গড়েও শুরুতে ধুকতে হয়েছে দলটিকে। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে প্লে অফের টিকিট পেয়েছিল।
কিন্তু শেষ চারে এসে যেন দেখা গেল বদলে যাওয়া রংপুরকে। এলিমিনেটর পর্বে খুলনাকে হারিয়ে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে রংপুর। বৃষ্টি নাটকীয়তার পর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে হারিয়ে পায় ফাইনালের টিকিট। সেখান থেকে দুর্দান্ত এক ম্যাচ খেলে উড়ন্ত ঢাকাকে মাটিতে নামিয়ে দিল মাশরাফির দল।
ফাইনাল ম্যাচ শেষে মাশরাফি বললেন, ‘আমরা প্লে-অফের আগে অন্য চেহারায় ছিলাম। তবে এটা সত্যি কথা, আমাদের ভেতরে জয়ের ক্ষুধাটা ছিল। আমরা মাঠে গিয়ে সব সময় কিছু না কিছু করতে চেয়েছি।’
ফাইনালে ১৮ ছক্কার বন্যায় গেইলের অপরাজিত ১৪৬ রানই ছিল জয়ের পথে মূল পাথেয়। এছাড়া দারুণ কয়েকটি ক্যাচ নিয়ে ফিল্ডিংয়েও দৃষ্টি কাড়ে রংপুর। সফলতার জন্য ভাগ্যকেও কৃতিত্ব দিলেন রংপুরের অধিনায়ক মাশরাফি। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই চেষ্টা করা বড় ব্যাপার। শুধুমাত্র ভাগ্যের ওপর বসে থাকলে চলবে না। আপনি চেষ্টা করলেন না, কিন্তু ভাগ্যের অপেক্ষায় থাকলেন। এমনটা হলে চলবে না। আপনাকে চেষ্টা করতে হবে। কিন্তু দিন শেষে চ্যাম্পিয়ন হতে হলে কিংবা যেকোনও ভালো কিছু করতে হলে ভাগ্য অবশ্যই পক্ষে থাকতে হবে। আমি বিশ্বাস করি এটাই।’
মাশরাফিরা যেন চাহিদার চেয়েও বেশি কিছু করেছেন। মালিকপক্ষের চাহিদা ছিল সেমিফাইনাল। এ কারণেই প্রত্যাশার বাড়তি চাপ ছিল না। তাই নির্ভার দল থেকে পৌঁছে গেছে সাফল্যের চূড়ায়। সেকথা জানিয়ে মাশরাফি বলেন, ‘শিরোপা জিতেছি খুব ভালো লাগছে। তাদের (মালিকপক্ষ) প্রত্যাশা ছিল সেমিফাইনাল খেলা। অনেক কষ্ট করে সেমিফাইনাল উঠতে হয়েছে। এরপর তারা খুশি হয়েছিলেন। লিগে চারে থাকার কারণে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার প্রত্যাশা ছিল না। এটাই আমাদের চাপমুক্ত করেছে। আমরা জানতাম আমাদের দুই-তিনজন খেলোয়াড় আছে, যারা ম্যাচ যে কোনও সময় বদলে দিতে পারে।’

Comments

comments

Close