আজ: [english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয়, প্রধান সংবাদ আগামী নির্বাচনের ব্যয় ছয়শত কোটি টাকা

আগামী নির্বাচনের ব্যয় ছয়শত কোটি টাকা


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: 01/07/2018 , 2:38 pm | বিভাগ: জাতীয়,প্রধান সংবাদ



এ বছর শেষেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশনও(ইসি)। কিন্তু সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত সময় পার করছে নির্বাচন কমিশনের বাজেট শাখা। কারণ নির্বাচনে ব্যয় হবে, তার পরিকল্পনা ও অর্থ সংগ্রহ এখনই করতে হবে। এজন্য খসড়া ব্যয়ে ইসি সরকারের কাছে ছয়শত কোটি টাকা চাইবে বলে সূত্র জানিয়েছে।

এছাড়াও উপজেলা নির্বাচনের জন্য আলাদাভাবে আরও ছয়শত কোটি টাকা চাইবে ইসি। এই নির্বাচনে কত ব্যয় হবে সেই হিসেব করতে শুরু করেছে ইসি সচিবালয়। সে অনুসারে আগামী বাজেটে নির্বাচনী বরাদ্দ চাইবে ইসি। জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রাথমিকভাবে ব্যয় ধরা হচ্ছে ৬শ কোটি টাকা। পাশাপাশি উপজেলা নির্বাচনের জন্যও ছয়শত কোটি টাকা ব্যয় ধরা হচ্ছে। শিগগরিই এটি পর্যালোচনা করে সরকারের কাছে বরাদ্দ চাইবে ইসি।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, গত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের বাজেট বরাদ্দ ছিল ৯৮৯ কোটি টাকা। এবার ওই দুটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ চাওয়া হচ্ছে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা। গত নির্বাচনের চেয়ে দুইশ কোটি টাকা বেশি চাওয়া হচ্ছে।

আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য নির্বাচন, কমিশনের অফিসিয়াল খরচ বাদে শুধু সংসদ ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ওই টাকা বরাদ্দ চাওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে কমিশনের বাজেট শাখা এ সংক্রান্ত প্রস্তাব নিয়ে কাজ শুরু করেছে। প্রস্তাব চূড়ান্ত হলে কমিশনের অনুমতি নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইসির একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ এবং পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ চাইতে প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হচ্ছে। আশা করছি, শিগগিরই তা সরকারের কাছে পাঠানো হবে।

ইসির তথ্যমতে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য ব্যয়ের খাত ধরা হয়েছে ২৯টি। তবে নির্বাচন পরিচালনা খাতের খতিয়ান বড় হলেও সবচেয়ে বেশি ব্যয় হবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায়। খাতওয়ারী অর্থ বরাদ্দের হার বিগত নির্বাচনের চেয়ে দ্বিগুণ বা অনেক ক্ষেত্রে তিনগুণ ও চারগুণ করা হয়েছে।

সম্ভাব্য খাতগুলো হচ্ছে, নির্বাচনের ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা (প্রিসাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং এবং পোলিং অফিসার), স্থায়ী ও অস্থায়ী ভোটকেন্দ্র স্থাপন, প্রতি কেন্দ্রের মনিহারি দ্রব্য, মালামাল পরিবহন খাত, রিটার্নিং অফিসারের ডাক, ফ্যাক্স ও আপ্যায়ন খরচ, সহকারী রিটার্নিং অফিসারের ডাক, ফ্যাক্স ও আপ্যায়ন খরচ, রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নি অফিসারের যাতায়াত বাবদ ব্যয়।

দশম সংসদ নির্বাচনে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫০০ কোটি টাকা। তবে বিএনপিসহ অনেক রাজনৈতিক দল ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচন বর্জন করে। ফলে ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে ভোট হয় ১৪৬ আসনে, বাকিগুলো অর্থাৎ ১৫৪ আসনের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয় বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায়।

এই নির্বাচনের ব্যয় কমে দাঁড়ায় ৩০০ কোটি, যার মধ্যে ব্যয় হয় ২৯২ কোটি টাকা। এর মধ্যে নির্বাচন আয়োজনে ব্যয় হয় ১৪৭ কোটি টাকা এবং ১৪৪ কোটি ৫১ লাখ ১২ হাজার টাকা ব্যয় হয় আইন-শঙ্খলা রক্ষায়।

Comments

comments

Close