আজ: [english_date], [bangla_day], [bangla_date], [hijri_date], [bangla_time]
সর্বশেষ সংবাদ
প্রধান সংবাদ, বিশেষ প্রতিবেদন বিরুলিয়ার গোলাপ গ্রামে গ্লাডিয়াস চাষে সফলতা

বিরুলিয়ার গোলাপ গ্রামে গ্লাডিয়াস চাষে সফলতা


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: 01/28/2018 , 9:22 am | বিভাগ: প্রধান সংবাদ,বিশেষ প্রতিবেদন



আবুল খায়ের ভুইয়াঃ     সাভার থানাধীন বিরুলিয়া ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকাজুড়ে গোলাপের ব্যাপক চাষ হয়। অত্র ইউনিয়নের শ্যামপুর, মৈস্তাপাড়া, স্যাদুল্লাপুর, ভাটুলিয়া, সারুলিয়া, বাগ্নীবাড়ি, কমলাপুর, কালিয়াকৈর, আক্রানসহ অধিকাংশ এলাকাতেই গোলাপ চাষ করা হয়।  এখানে গোলাপের ব্যাপক চাষ হয় বলে ইতিমধ্যেই গ্রামটির নাম  শহরের লোকেরা গোলাপ গ্রাম হিসেবেই জানে। গোলাপ গ্রাম দেখতে তাই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় প্রতিদিনই পর্যটকরা এসে ভিড় জমাচ্ছে।

বর্তমানে গোলাপের পাশাপাশি অনেক কৃষক গ্লাডিয়াস চাষ করে সফলতা অর্জন করছে। গ্লাডিয়াস চাষ সুবিধাজনক থাকায় অনেকে গ্লাডিয়াস চাষে যুক্ত হচ্ছে। বছরে একই জমিতে (তিনবার) চাষ করা যায়, পরিশ্রম কম লাগে, কীটনাশকের ব্যবহার ও তেমন করতে হয়না। গ্লাডিয়াস থেকে স্বল্প সময়ে ফুল ও বীজ পাওয়া যায়। গ্লাডিয়াস বিভিন্ন রঙ্গের হয় সাদা, পিংক, হলুদ, বেগুনি, সিঁদুর ইত্যাদি। তবে সাদা গ্লাডিয়াসের চাষ ভাল হয় বলে সাদা গ্লাডিয়াসের ব্যাপক চাষ করা হয়। গোলাপের মতো গ্লাডিয়াসের চাহিদা রয়েছে স্থানীয় ও শহরের খুচরা ও পাইকারি ফুলের বাজার গুলোতে।
স্থানীয় গ্লাডিয়াস চাষি মোঃ বজলু মিয়া(৪৫) দৈনিক সময়’৭১ কে  বলেন, আমি( বজলু মিয়া) প্রায় পাঁচ বছর যাবত চাষে জড়িত, প্রথম দিকে চাষ করে সফলতা পাইতাম না। কারন আমি গ্লাডিয়াস চাষের জন্য কোন প্রশিক্ষণ পাই নাই। তাই এই বিষয়ে আমার প্রাথমিক ধারনা কাজে লাগিয়ে চাষ শুরু করি। ধীরে ধীরে  চাষ করতে করতে সফলতা পাই।
গ্লাডিয়াস চাষ করেই আমার সংসার চলে। আমি ছাড়া ও এখানকার প্রায় একশত কৃষক গ্লাডিয়াস চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করছে।
আমার এই বাগানটির জমি(১পাখী)বর্গা নিয়ে গ্লাডিয়াস চাষ করছি। গ্লাডিয়াসের বীজগুলো অনেকটা দেখতে পিঁয়াজের মত। আমাদের এলাকায় বীজের সংকট দাম ও বেশি। তাই বীজগুলো আমরা যশোর থেকে কিনে আনি স্বল্প দামে।প্রতিটি বীজের দাম ৫ টাকা করে ।
আমার (১পাখী) জমিতে বীজসহ মোট খরচ হইছে প্রায় এক লাখ টাকার মতো, এখন আমার বাগানে যে বীজ আছে বাজারে বিক্রি করলে প্রায় তিন লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবো ।
স্থানীয় জলবায়ু , আবহাওয়া গ্লাডিয়াস চাষের জন্য খুবই উপযোগী। কিন্তুু পর্যাপ্ত অর্থের ও প্রশিক্ষনের অভাবে কৃষকরা সময়মতো চাষ করতে পারছে না।
স্থানীয় গ্লাডিয়াস চাষিরা  আরো বলেন, বাংলাদেশ সরকার ও বাণিজ্যিক ব্যাংক গুলো যদি তাদের স্বল্প সুদে লোন দেয় তাহলে ব্যাপকভাবে গ্লাডিয়াস চাষ করতে পারবে। কৃষকরা কৃষি কর্মকর্তাদের নিকট প্রশিক্ষণ এর দাবি জানিয়ে বলেন,  আপনারা আমাদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে দিন।
স্থানীয় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষকদের উদ্দেশ্য করে বলেন যেকোন সমস্যা মোকাবিলায় কৃষি কর্মকর্তারা আপনাদের পাশে থাকবে।

Comments

comments

Close