আজ: ৬ জুন, ২০২০ ইং, শনিবার, ২৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৫ শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী, বিকাল ৫:১৬
সর্বশেষ সংবাদ
জীবন ধারা ডায়েটে কমে যায় গর্ভধারণের ক্ষমতা

ডায়েটে কমে যায় গর্ভধারণের ক্ষমতা


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ০১/৩০/২০১৮ , ৩:১২ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: জীবন ধারা



নির্দিষ্ট ডায়েট বা খাদ্যাভাস করে ওজন কমানো এখন বেশ প্রচলিত। মানুষনির্দিষ্ট ধরণ ও পরিমাণে খাবার খেয়ে ওজন চেষ্টা করে। ভারি খাবারের পরিবর্তে হালকা খাবার খেয়ে হয়তো ওজন কিছুটা কমে, কিন্তু আরও কত যে ক্ষতি হয় তা আমরা জানিনা। ডায়েটিং এ নারীরা বেশি আগ্রহী। তবে নারীদের মাথায় রাখা প্রয়োজন যে ডায়েটিং এর তালিকায় এমন কিছু খাবার আছে যা তাদের শরীরে নানা ক্ষতি করে। এমনকি সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতাও কমিয়ে দেয়। একজন নারীর জন্য সন্তান স্বপ্নের আরাধ্য সম্পদ। আর সেই কথা মাথায় রেখে ডায়েটিং নিয়ে না ভেবে সাধারণ খাদ্যাভাস নিয়েই ভাবা উচিৎ। আর অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শের বাইরে গিয়ে কোনো কিছু করা উচিৎ নয়। দেখে নিই এড়িয়ে চলার মতো এমন পাঁচটি খাবার যা ডায়েটিং তালিকা থেকে বাদ রাখা উচিৎ:

মিক্সড ফ্রুট বা ভেজিটেবল জ্যুস

বিভিন্ন ধরনের ফলের অথবা সবজির মিক্সড জ্যুস অনেকেই ডায়েট চার্টে রাখেন। এতে শরীর যেমন সুস্থ থাকে তেমনই ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে, ওজনও কমে। কিন্তু গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, এই মিক্সড জুসের কিছু খারাপ দিকও রয়েছে। এই ধরনের জ্যুস পান করলে শরীরের বিপাক ক্রিয়ায় খারাপ প্রভাব ফেলে তা অনেকেই জানে না। পরিপাকতন্ত্র সহ অন্যান্য বিভিন্ন তন্ত্রকে এমন অবস্থায় আটকে ফেলে যার ফলে নারীদের গর্ভধারণে বাধা আসতে পারে।

কাঁচা সবজি

অনেকে দ্রুত মেদ ঝরাতে বিভিন্ন ধরনের সবজি ছোট ছোট করে কেটে ধুয়ে কাঁচাই খেয়ে ফেলেন। কিন্তু তারা জানে না যে এতে শরীরে কেমন ক্ষতি হতে পারে।

অনেক কাঁচা সবজি খেলে শরীরে প্রয়োজনীয় এবং পর্যাপ্ত পুষ্টিচাহিদা পূরণ হয়না। শরীরে

আয়রন, ভিটামিন বি-এর অভাব দেখা দেয়। পুষ্টির অভাবে শরীর দুর্বল হয়ে যায়। ফলে গর্ভধারণে সমস্যা দেখা দেয়।

ভারী খাবারের পরিবর্তে তরল খাবার

ওজন কমাতে বেশিরভাগই হালকা খাবার খায়। বিশেষ করে দুপুর ও রাতে ভারী খাবার না খেয়ে হালকা পাতলা ও তরল খাবার খায় তারা।এতে উপকার তো হয়ই না, বরং আরও ক্ষতি হয়। বিশেষ করে কোনো নারীর গর্ভধারণের ক্ষেত্রে এটি বিরূপ প্রভাব ফেলে। কারণ এতে করে শরীরে শর্করার চাহিদা বাড়লেও আমিষের ঘাটতি দেখা যায়।

কেটোজেনিক ডায়েট

কম কার্বোহাইড্রেটের এই ডায়েট তাড়াতাড়ি ওজন কমানোর ক্ষেত্রে উপকারী বলে মনে করা হয়। কেটো ডায়েটে হাই ফ্যাট এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্যের ওপর মনোযোগ দেওয়া হয় বেশি।

অনেকেরই ধারণা এতে শরীর সুস্থ ও চাঙ্গা থাকে। দ্রুত ওজনও কমে। তবে এমন ধারণা এক্কেবারে ভুল। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এ ধরনের ডায়েট না করাই ভালো।

ডায়েট ট্যাবলেট ও ড্রিঙ্কস 

ডায়েট ট্যাবলেট এবং ড্রিঙ্কস শরীরের জন্য একদমই ভালো নয়। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যাফেইন থাকে যা দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে খুব দ্রুত গর্ভধারণের ক্ষমতাও কমিয়ে দিতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এগুলো কখনোই না জেনে গ্রহণ করা যাবেনা।

Share Button

Comments

comments

Close