আজ: ২৪ জুন, ২০১৮ ইং, রবিবার, ১০ আষাঢ়, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১০ শাওয়াল, ১৪৩৯ হিজরী, রাত ৩:৪৫
সর্বশেষ সংবাদ
প্রধান সংবাদ, শিক্ষাঙ্গন বাকৃবিতে ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি পদে বিএনপি সম্পাদকের মেয়ে!

বাকৃবিতে ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি পদে বিএনপি সম্পাদকের মেয়ে!


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ০২/২৬/২০১৮ , ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: প্রধান সংবাদ,শিক্ষাঙ্গন



পঞ্চগড় জেলা বিএনপির সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ইয়াসমীন আরা’র মেয়ে আফিফাত খানম রিতিকাকে ময়মনসিংহ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ছাত্রলীগ শাখার সহ-সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় দল ও সাধারন শিক্ষার্থীদের মাঝে সমালোচনা হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সবুজ কাজী জানান রিতিকা সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ রুবেলের কাছের হওয়ায় এ পদ দেয়া হয়েছে।

বাকৃবি ছাত্রলীগ শাখার সহ-সভাপতি এম আনোয়ারুল হক জানান, ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের অনেক ত্যাগী কর্মী থাকা সত্ত্বেও পঞ্চগড় জেলা বিএনপির সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ইয়াসমীন আরা’র মেয়ে বিএনপি মনা আফিফাত খানম রিতিকা কে সংগঠনটির সহ-সভাপতি করা মোটেও ঠিক হয়নি।

রিতিকা ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সময় ছাত্রদলের কর্মকান্ডে সক্রিয় ছিল বলেও দাবি তার। এ পদ নিয়ে সে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষিকা হওয়ারও পায়তারা করছে। এটি দলের জন্য অনেক বড় ক্ষতির কারণ। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় কমিটি বরাবর লিখিত আবেদনের কথাও তিনি জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রলীগ নেতা জানান, বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ শাখা কমিটির সভাপতি সবুজ কাজী এবং সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ রুবেল মোটা অংকের বাণিজ্য করে বিএনপি রাজনীতির সাথে জড়িত আফিফাত খানম রিতিকা কে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া সংগঠন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি বানিয়েছে। এটা আওয়ামী লীগের নীতি বহিভূর্ত। এরা এক সময় দলের জন্য কাল হয়ে দাঁড়াবে। তাই অচিরেই কমিটি থেকে রিতিকা কে বহিষ্কারের দাবি জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাকৃবি ফিসারীজ ম্যানেজমেন্টের শিক্ষার্থী জানান, আফিফাত খানম রিতিকা আমাদের ডিপার্টমেন্টে ২০১০-১১ সেশনে ভর্তি হয়ে মাস্টার্স শেষ করেছে। বিগত সময়ে তার ছাত্রদল এবং জামায়াত শিবিরের লোকজনের সাথে ভাল সম্পর্ক ছিল। রিতিকার সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্কের কারণে শিবির কর্মী রায়হানকে শহীদ নাজমুল আহসান হলে আটকে রেখে মারধর করে ছাত্রলীগ কর্মীরা। সে এখন ছাত্রলীগের পদ নিয়েছে ফিসারীজ ম্যানেজমেন্ট অনুষদের শিক্ষক হওয়ার জন্য।

পদ পাওয়া আফিফাত খানম রিতিকা বলেন, আমার পরিবার কি করে তা দেখার বিষয় না। আমি ছাত্রলীগ করি তাই পদ পেয়েছি। এ কথা বলেই মুঠোফোনের লাইন কেটে দেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ রুবেলের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সংগঠনটির সভাপতি সবুজ কাজী জানান, রিতিকার পরিবার বিএনপি রাজনীতির সাথে জড়িত সেটা আমাদের জানা। তবে থাকে পদ দেওয়ার সাথে আমার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। সাধারণ সম্পাদকই একক ভাবে তাকে এ পদ দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলের কয়েকজন সাধারন শিক্ষার্থী বলেন, ইবনেত রিতিকার নির্দেশে, তাসমীম তামান্না প্রায়ই সাধারণ শিক্ষার্থীদের জোর করে মিছিলে যেতে বাধ্য করে, রাতে জোরপূর্বক গেষ্ট রুমে বসিয়ে রাখে। তাসমীম তামান্নার বিরুদ্ধেও ছাত্রদলের রাজনীতিতে জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে।

Comments

comments

Close