আজ: ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং, মঙ্গলবার, ৪ পৌষ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১২ রবিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী, রাত ১১:১৯
সর্বশেষ সংবাদ
জেলা সংবাদ, বিভাগীয় সংবাদ, রংপুর বিভাগ পঞ্চগড়ে চেতনানাশক মিশানো খাবার খেয়ে একই পরিবারের ১২ জন অসুস্থ

পঞ্চগড়ে চেতনানাশক মিশানো খাবার খেয়ে একই পরিবারের ১২ জন অসুস্থ


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ০৩/১৬/২০১৮ , ৯:২৮ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: জেলা সংবাদ,বিভাগীয় সংবাদ,রংপুর বিভাগ


Spread the love
Spread the love

পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধায় চেতনানাশক খাবার খেয়ে একই পরিবারের ১২ জন অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে রাত সোয়া ৮টার দিকে তেঁতুলিয়া থানা পুলিশ তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসকরা ধারণা করছেন চেতনানাশক মিশানো খাবার খেয়েই তারা অচেতন হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের হোলাসিজোত এলাকায় আব্দুল জলিলের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও অসুস্থরা জানায়, বৃহস্পতিবার বাড়ির তৈরি দুপুরের খাবার ভাত, পানি ও তরকারি খাওয়ার পর থেকেই তাদের প্রত্যেকের প্রথমে মাথায় ঝিমুনি হতে থাকে। এরপর একজন একজন করে পর পর কয়েকজন অচেতন হয়ে পড়ে যায়। সন্ধ্যার দিকে তারা অধিকাংশই অচেতন হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় ইউ পি চেয়ারম্যানের টেলিফোন পেয়ে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

পুলিশ জানায়, পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা প্রাথমিক অবস্থায় অসুস্থদের দেখে বিহ্বল হয়ে পড়লেও পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌঁছে তাদেরকে অচেতন হিসেবে দেখতে পায়। ঘটনা তদন্তে তাৎক্ষনিক কাজ শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন আহমদ জানান, পরিবারের ধারণা অন্যকোন উদ্দেশ্যে খাবারে চেতনানাশক মিশিয়ে পরিবারের লোকজনকে খাওয়ানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে পঞ্চগড় সদর আধুনিক হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা.মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন চিকিৎসকরা প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা নিরিক্ষা করে তাদের খাবারে চেতনানাশক মিশানো হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন। তিনি আরও জানান অচেতন এই পরিবারের ১২ জনই বর্তমানে শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।

এদিকে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ড.মোশাফরফ হোসেন জানান, চেতনানাশকের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আরও পরিক্ষা নিরীক্ষা চলছে।

হাসপাতাল পরিদর্শনের পর জেলা প্রশাসক সর্বশেষ জানান, ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবেনা বলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন আশ্বাস দেন তিনি।

Share

Comments

comments

Close