আজ: ২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ইং, বুধবার, ৭ কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৫ সফর, ১৪৪১ হিজরী, দুপুর ১:৫৯
সর্বশেষ সংবাদ
জেলা সংবাদ নওগাঁর ‘সাপাহার অর্থনৈতিক অঞ্চল’ অনুমোদন পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানিয়ে আলোচনা সভা

নওগাঁর ‘সাপাহার অর্থনৈতিক অঞ্চল’ অনুমোদন পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানিয়ে আলোচনা সভা


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ০৯/২১/২০১৯ , ৯:০৪ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জেলা সংবাদ


Spread the love

নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁর ‘সাপাহার অর্থনৈতিক অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠার অনুমোদন পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভা শুরু হয়েছে। আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে সাপাহার জিরোপয়েন্ট চত্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নওগাঁবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানানোর লক্ষ্যে এই সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী সদস্য অতিরিক্ত সচিব হারুনুর রশিদ, রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক একেএম হাফিজ আক্তার, নওগাঁ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম ফজলে রাব্বী, নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপারা আব্দুল মান্নান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন নওগাঁ জেলা প্রশাসক হারুন-অর-রশীদ।
উল্লেখ্য ,   নওগাঁ-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বর্তমান সরকারের খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপির নিরলস প্রচেষ্টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক বৈঠকে গত ৯ সেপ্টেম্বর-২০১৯ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ‘সাপাহার অর্থনৈতিক অঞ্চল’ নওগাঁ পরিপত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার অনুমোদন দিয়েছেন। সাপহারের খেরুন্দা মোজার ২২.২০ একর খাস জমি ও ২৩১.৯৫ একর ব্যক্তি মালিকানাধীন মোট ২৫৪.১৫ একর জমিতে সাপাহার অর্থনৈতিক অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠিত হবে।
নওগাঁর সাপাহার বরেন্দ্র অঞ্চলের কেন্দ্রে অবস্থিত ২৪৪.৪৯ বর্গ কি.মি আয়তনের একটি কৃষি নির্ভর উপজেলা। প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলের কৃষিভিত্তিক শিল্প, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প, পাট জাত পন্য উৎপাদন শিল্পসহ নানবিধ শিল্প প্লট স্থাপনের সুযোগ হবে।
 অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কারনে নওগাঁসহ পাশ্ববর্তী এলাকায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে যা টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট (এসডিজি) এর দারিদ্র বিমোচন, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির উন্নয়ন, স্থিতিশীল ও অংশগ্রহণমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং ১০ অর্জনে (দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তরাষ্ট্রীয় বৈষম্য হ্রাস) অর্জনে ভূমিকা রাখবে।
Share

Comments

comments

Close