আজ: ২০ জানুয়ারি, ২০২০ ইং, সোমবার, ৬ মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৬ জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী, রাত ৯:১৩
সর্বশেষ সংবাদ
আন্তর্জাতিক সরকার ভেঙে দিলে দিক, ওই বৈঠকে যাব না: মমতার হুঙ্কার

সরকার ভেঙে দিলে দিক, ওই বৈঠকে যাব না: মমতার হুঙ্কার


পোস্ট করেছেন: নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত হয়েছে: ০১/১৬/২০২০ , ১:০৭ অপরাহ্ণ | বিভাগ: আন্তর্জাতিক



সরকার ভেঙে দিলে দিক, ওই বৈঠকে যাব না: মমতার হুঙ্কার

জাতীয় জনসংখ্যা পঞ্জিকরণ (এনপিআর) নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের ডাকা বৈঠকে যোগ দেবেন না বলে হুঙ্কার দিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

গতকাল বুধবার কলকাতার রানি রাসমনিতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে এ ঘোষণা দেন মমতা। খবর জিনিউজের

মঞ্চে ওঠে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আগামী ১৭ তারিখ এনপিআর নিয়ে বৈঠক ডেকেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ওরা সরকার ভেঙে দিলে দিক, আমি ওই বৈঠকে যোগ দেব না।’

এর পর এনপিআর ইস্যুতে ভেতরে ভেতরে বিজেপি সরকারের সঙ্গে সিপিএম হাত মিলিয়েছে বলে অভিযোগ করেন মমতা।

সিপিএমের কড়া সমালোচনা করে মমতা প্রশ্ন ছুড়েন– ‘আপনাদের জনশক্তিতে নরেন্দ্র মোদির বিজ্ঞাপন কী করে গেল? এনআরসি ইস্যুতে আপনারা কবে আন্দোলন করলেন? আপনারা কোন পথে আছেন, এটি আপনাদের প্রমাণ করতে হবে। নয়তো জনগণের কাছে ক্ষমা চান।’

উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বরে আসাম, ত্রিপুরাসহ ভারতজুড়ে জাতীয় নাগরিকপঞ্জিকরণ হবে বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ।

সেই সময় অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু, খ্রিস্টান, পার্সি, বৌদ্ধ এবং জৈন ধর্মাবলম্বী মানুষদের নাগরিকত্ব দিতেই সরকার নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল আনতে চলেছে।

এর পরই এনআরসিকে ধর্ম ও বর্ণবৈষম্যমূলক বলে আখ্যা দিয়ে রাস্তায় নামে ভারতের জনতা।

সেই সময় থেকেই বিজেপি সরকারের এই এনআরসি আইনের বিরোধীপক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছেন মমতা।

তবে ভারতীয়দের তীব্র প্রতিবাদ ও বিক্ষোভকে কানে না তুলে গত ১০ জানুয়ারি বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনটি কার্যকর করেছে মোদি সরকার।

এর পর ভারতজুড়ে জাতীয় জনসংখ্যা পঞ্জিকরণ বিষয়ে মতামত ও দিকনিদের্শনা দিতে বৈঠক ডাকে কেন্দ্রীয় সরকার।

এবার এনআরসি ইস্যুর মতো এনপিআর বিষয়েও কোনো বৈঠকে যাবেন না জানিয়ে সরকারের সরাসরি বিরোধিতা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Share

Comments

comments

Close